• অর্থনীতি

    কাঁচা মরিচের কেজি ১৫ টাকা

      নিউজ ডেস্ক ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ , ১:০৪:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ

    কাঁচা মরিচের কেজি ১৫ টাকা

    ঝিনাইদহের পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫ থেকে ১৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগেও জেলার পাইকারি বাজারে এ কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ২০০ টাকা।

    কাঁচা মরিচের দাম অত্যধিক কমে যাওয়ার ফলে চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে; ক্ষেত থেকে তুলে ভ্যান ভাড়া দিয়ে হাটে এনে খরচের টাকাই উঠছে না।

    ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে জানা যায়, জেলায় এক হাজার ৭২৪ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন মরিচ চাষ হয়েছে। এখন মরিচের ভরা মৌসুম চলছে।

    শৈলকুপা উপজেলা গোকুলনগর গ্রামের চাষি ইমরান হোসেন জানান, তিনি ১৫ কাঠা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন; গাছে প্রচুর মরিচ ধরছে। শনিবার শৈলকুপা হাটে এক মণ মরিচ এনে প্রতি কেজি ১৫ টাকা করে বিক্রি করেন।

    “খেত থেকে এক কেজি মরিচ তুলতে শ্রমিককে ১০ টাকা করে দিতে হয়। ভ্যান ভাড়া দিয়ে হাটে এনে বিক্রির পর পকেটে কিছুই থাকছে না।”

    যদিও মাস দেড়েক আগে ২০০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছেন এই চাষি।

    উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের চাষি রান্নু মণ্ডল জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। এক মণ মরিচ হাটে এনে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।

    একই উপজেলার শিংনগর গ্রামের চাষি রমজান আলি বলেন, “বৃহস্পতিবার চর ইবিল হাটে বৃষ্টির মধ্যে মাত্র ছয় টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করছি।”

    হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বেরবিন্নী গ্রামের চাষি জামাল মণ্ডলের ভাষ্য, “১০ কাঠা জমিতে মরিচ চাষ করছি। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ হাটে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে বিক্রি করি। ব্যাপারিদের মণ প্রতি দুই কেজি করে ঢলতা দিতে হয়।”

    এদিকে, বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা করে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। কিন্তু দাম বেশি নেওয়ার প্রশ্নে তারা নিশ্চুপ।

    বিক্রির জন্য বস্তা ভর্তি কাঁচা মরিচ নিয়ে অপেক্ষায় চাষিরা
    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলি বলেন, “খরার কারণে গাছে মরিচ কম ধরায় দাম ব্যাপক চড়ে গিয়েছিল। বৃষ্টির পর প্রচুর মরিচ ধরছে; তাই দাম পড়ে গেছে। কাঁচা মরিচ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই।”